ট্রাইব্যুনালে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন আওয়ামীপন্থি দুই আইনজীবী

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ডের রায়কে ‘ক্যাঙারু কোর্টের রায়’ বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করেছিলেন দুই আইনজীবী। এই ঘটনায় আদালত অবমাননার অভিযোগে অভিযুক্ত হাসানুজ্জামান তুষার ও হাসান চৌধুরী আজ সোমবার সকালে সশরীরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ হাজির হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। ট্রাইব্যুনাল জানিয়েছে, শুনানি শেষে এই দুই আইনজীবীর আদালত অবমাননার ঘটনাটি কতটুকু গুরুতর ছিল, সে বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ডের রায়কে ‘ক্যাঙারু কোর্টের রায়’ বলে মন্তব্য করার ঘটনায় সশরীরে ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন আওয়াম। আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ হাজির হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চান তারা। গত ১৫ সেপ্টেম্বর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা ওবায়দুল কাদের, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও মোহাম্মদ আলী আরাফাতসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ডের রায়কে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিরূপ মন্তব্য করায় পরদিন (১৬ সেপ্টেম্বর) আওয়াম।

ঘটনার সূত্রপাত গত ১৫ সেপ্টেম্বর, যখন রায়ের বিরুদ্ধে ওই দুই আইনজীবী বিরূপ মন্তব্য করেন। প্রসিকিউশনের যুক্তি ছিল, আইনি পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের এমন মন্তব্যের ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিচার বিভাগ নিয়ে বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হয়। গত ২৩ সেপ্টেম্বর মামলার শুনানির দিন নির্ধারিত থাকলেও এক বিচারক অসুস্থ থাকায় তা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেদিনও অভিযুক্তরা ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য উপস্থিত ছিলেন। এদিকে, সোমবারের এই শুনানিকে কেন্দ্র করে ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ট্রাইব্যুনাল-২ এর সকল নির্ধারিত মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখার পাশাপাশি আইনজীবী ও সংশ্লিষ্টদের প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। ওই সময় তাদের সঙ্গে আওয়ামীপন্থি আরও বেশ কয়েকজন আইনজীবী আসলেও নিরাপত্তার স্বার্থে সেদিন তাদের সবাইকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *